Sunday, September 28, 2014

একটি উপন্যাস লিখার চেষ্টা













অন্ধকার ঘরে একা একা কাগজের টুকরা ছিড়ছি। মাথা কেমন ঝিম ঝিম করছে। ইলেক্ট্রিসিটি গেছে সেই কবে, আসার কোন নাম গন্ধ নেই, কি আজব দেশেই না বাস করি, প্রচন্ড রাগ হলো, দেশটা গেল একে বারে রসাতলে। মিস্টি এক বাতাসে শরীর জুড়িয়ে গেল। বাইরে খুব সুন্দর জোৎনার আলো। জানালা দিয়ে সেই আলো পড়ল আমার শরীরে। খুব একটি মায়াবী পরিবেশ, তখন ভাল লাগতে শুরু করেছে। জানালার ফাকে উপভোগ করতে লাগলাম সেই ভরা জোৎনাকে। অদ্ভুত সুন্দর এক মনোরম পরিবেশ। 





চিন্তা করতে থাকলাম এই সিচুয়েশনে কি করব? অনেকদিন খেটে একটি উপন্যাস লিখেছি, এটার বিষয় হ্যাকিং নিয়ে হওয়ায় কোন প্রকাশক তেমন মাথায় আনছেন না।কত জনের কাছে ধড়না দিলাম, কিন্তু তাদের ব্যাবসািয়ক চিন্তার কারনে বার বার মার খেতে হচ্ছে।  তাহলে কি এই সমাজে হ্যাকারদের খারাপ চোখে দেখে? কেন, হ্যাকার রা তো অপরাধী না, এট লিস্ট সবাই তো না। একটা সুন্দর ফুলের বাগানে এরকম ক্ষতি কারক পোকা মাকর থাকবেই। তাই বলে দেশের একটি মেধাবী সমাজকে কেন অবহেলিত হবে? যারা দেশের জন্য রাত জেগে সাইবার স্পেস পাহারা দিয়েছিল, যারা নিজেদের মূল্যবান সময় নস্ট করে বিদেশি হ্যাকারের আক্রমনের দাঁত ভাঙ্গা জবাব দিয়েছিল, যারা বাংলাদেশের সাইবার স্পেসের আর্মির মত একের পর এক অপারেশন করেছিল তাদেরকে দেশ এত তাড়াতাড়ি ভুলে যাবে আশা করিনি। যদিও আমি তাদের কেউ নই, কিন্তু তাদের সেদিনের ভূমিকার কথা ভুলিনি। আমি এক জন সাধারন লেখক। লিখেই আমার জীবন চলে। একদিন মনে হলো আমার উপান্যাসের বিষয় হতে পারে হ্যাকিং! কেন নয়। একজন হ্যাকারের জীবন অন্য ১০ টি মানুষের স্বাভাবিক জীবনের চেয়ে আলাদা। তাদের সাথে মিশে তা বুঝতে আমি দ্বিতীয় বার ভুল করিনি। সেই দিনেই বুঝে গিয়েছিলাম তাদের দেশ প্রেমের শক্তি, যা আমাকে শুধু মুগ্ধই করেনি, কৃতজ্ঞটার বাঁধনে আবদ্ধ করেছে। তাই কিছু দিন তাদের কমিউনিটির সাথে মিশে দেখেছি, আর অবাক হয়েছি। বুঝে নিয়েছি অনেক কিছু। তাদের যে চাপা কস্ট আছে, সে কস্ট কোন দিন তারা প্রকাশ করে না। তাদের মাঝে অদ্ভুদ কিছু ক্ষমতা আছে যা দিয়ে তারা খুব তাড়াতাড়ি মানুষকে পটিয়ে ফেলে।তাই আমার উপন্যাসে তুলে ধরেছি একজন হ্যাকারের জীবন। তার পারিপার্শিক অবস্থা, তার হাসি, কান্না, পরিবার – পরিজন ইত্যাদি। আমি নিশ্চিত আমার আমার এই উপন্যাস প্রকাশিত হলে দেশে হইচই পরে যাবে।  





কিন্তু প্রকাশকরা তা বুঝতে চান না ! কেন তারা  বুঝতে চান না তাদেরও জীবন আছে, গল্প আছে, ভালবাসা আছে। তাহলে তাদের নিয়ে উপন্যাস ছাপতে প্রকাশকের সমস্যা কোথায়। বিড় বিড় করে গালি দিলাম। সব প্রকাশক শালারা ভন্ড। ২ পয়সার প্রেমের কাহিনী তাদের কাছে অনেক বিরাট কিছু আর দেশের সাইবার যুদ্ধাদের গল্পের প্রতি তাদের কোন সম্মান নেই। সব শালাদের সাইট হ্যাকাইয়া তাদের ব্যাবসার লাল বাত্তি জালানো উচিত!!! মেজাজটা হঠাৎ গরম হলো। পানির গ্লাসটাও খুঁজে পাচ্ছি না। এদিকে অন্ধকার দেখছি সব! রাগে নিজের মাথার চুল ছিড়লাম। এমন সময় বেজে উঠল ফোনটা। একে তো মেজাজ খারাপ, কে ফোন করল এমন সময় রাগে গিজ গিজে করে ফোনটা পিক করলাম

-হ্যালো...
-জী, লেখক মি. অমুক বলছেন?
-জী বলুন
-জী, আপনি বোধহয় আমার অফিসে এসেছিলেন, আমার এসিস্ট্যান্স সব আমাকে বলেছে। আমি রাজি আপনার উপন্যাস ছাপতে, তবে কিছু শর্ত আছে।
-সত্যি!!! অনেক ধন্যবাদ তবে কি শর্ত
-আপনি কাল আমার গুলশানের বাসায় আসেন।
-ঠিক আছে।
-আর হ্যাঁ, অবশ্যই আপনার স্ক্রীপ্টটা নিয়ে আসবেন সাথে।
-ঠিক আছে , অনেক ধন্যবাদ। কাল দেখা হচ্ছে তাহলে।





ফোনটা কেটে গেল J মনে মনে খুশি হলাম যাক শেষ পর্যন্ত কাউকে পেলাম।

পরের দিন সেই প্রকাশকের বাসার দিকে রওনা দিলাম। বিশাল বাসা, দেখে অবাকই হতে হয়। বিশাল বাসার সামনে বসার সুন্দর জায়গা, আমাকে অভর্থ্যনা জানালেন তিনি। ভদ্র লোকের বয়স দেখে অনুমান করলাম ৫০ এর কাছাকাছি হবে, তবে অনেক স্মার্ট, মার্জিত পোষাকে তা কিছুটা অনুমান করতে পারছি। লোকটা দেখি পান ও খাচ্ছে, লাল ঠোট। হাত দিয়ে বসার ইঙ্গিত দিলে বসে পড়লাম।

-   বুঝলেন আমিও ভেবে দেখেছি কিছু অজানা জিনিষ আমাদের সমাজের মানুষের জানা উচিত। আপনার উপন্যাস পড়িনি , তবে আপনার উপন্যাসের বিষয়বস্তুটা আমার খুব মনে ধরেছে। পান চিবুতে চিবুতে বললেন লোকটা।
-   অনেক ধন্যবাদ, এই যে নিন স্ক্রীপ্ট।
-   ঠীক আছে, দেখা লাগবেনা। আমি আপনার লেখা প্রকাশ করব।
-   বলে কি লোকটা!!! অবাক হয়ে তাকিয়ে আছি। কিন্তু......
-   কোন কিন্তু নেই, এই যে আমার কার্ড, কাল চলে আসুন। আপনার অপেক্ষায় থাকব।
-   সত্যি আপনার প্রতি অনেক কৃতজ্ঞতা।


৬ মাস পর......


অবশেষে আগামী কাল আমার লেখা উপন্যাসটি প্রকাশিত হতে যাচ্ছে, যেখানে মোড়ক উম্মোচনে উপস্থিত থাকবেন বাংলাদেশের কিছু বড় বড় হ্যাকাররা। তাদের নাম বলতে পারছিনা তাদের নিরাপত্তার সার্থে। তবে কোন একদিন হ্যাকার রা প্রকাশ্যে দিবা লোকে হ্যাকার ট্যাগ নিয়ে ঘুরে বেড়াবে, বাংলাদেশ সরকার, পুলিশ, র‍্যাব, সব ধরনের সংগঠনে হ্যাকারদের মত মেধাবীদের দিয়ে চালিত হবে। সরকারী সাইটের এডমিনের দায়িত্ব বর্তমান গরু গুলো কে লাত্থি দিয়ে বের করে এসব সাইবার এক্সপার্টদের তাদের কাজের প্রতি সম্মান জানানো হবে। বাংলাদেশের সাইট আর বিদেশী হ্যাকার দারা হ্যাক হবে না। বাংলাদেশের সাইবার স্পেস পড়িনত হবে এক দুর্ভেদ্য দুর্গে! গোয়েন্দা সংস্থা, ইন্টেলিজেন্সে এই হ্যাকাররাই রাখবে তাদের মেধার সাক্ষর। পুলিশ, আর্মি, র‍্যাব, সরকার সবাই এই মেধাবীদের সাথে কাজ করবে। কারন আমার লেখা এই উপন্যাস মানুষের সেই ঘুমন্ত বিবেককে জাগ্রত করবে। 

আমি অনেক অনেক এক্সাইটেড! কালকের দিনটির জন্য। সময় যাচ্ছেই না। প্রতি সেকেন্ডকে মনে হচ্ছে এক একটা বছর!!! ঘড়ির কাটা এগিয়ে চলছে আর আমার হৃদস্পদন ও যেন ঘড়ির কাটার সাথে তাল মিলাচ্ছে !!! টিক!!! টিক!!! টিক!!!! 






Saturday, September 27, 2014

হার্ট হ্যাকার (হ্যাকারীয় ভালবাসা)








একদিন ইউনিভার্সিটির উদ্দেশ্যে পা বাড়ালাম। যেতে যেতে পথে একদম নতুন একটা ফ্রেস সার্ভার দেখলাম (অসম্ভব সুন্দরী :P )। দেখে আর দ্বিতীয়বার চিন্তা করার টাইম পাওয়া গেল না। সিদ্ধান্ত নিয়ে নিলাম যে ভাবেই হোক সার্ভারটা আমার চাইই চাই  :P । তার পর শুরু হলো ইনফো সংগ্রহ করা, হু ইজ এ গিয়ে তার সব ইনফো নিয়ে নিলাম।(পেছন পেছন গিয়ে বাসা চিনে আসলাম ;) মোবাইল নং টা খুজে পাওয়া গেল) এর পর চলল সার্ভারের বাগ খোঁজার পালা। যেহেতু একেবারে নতুন সার্ভার তাই এক্সপ্লইডিং করা এত সহজ ছিল না  :(   দিন রাত চলল সিকিউরিটি ব্রেক করার চেষ্টা । বেশ কয়েকদিন লেগে গেলো তাও কিছু করা গেল না  :( 

বেশ কয়েকদিন পর দিন রাত চেস্টা করার পর পাওয়া গেল একটি ছোট খাট সিকিউরিটি বাগ যেটা আমার খুব পছন্দ হলো (ফোনে কথা বলা), মনে হলো এই হোল দিয়েই সার্ভারের এক্সেস নেওয়া সম্ভব :/  শুরু হলো ইঞ্জেক্ট করা, অদম্য চেষ্টা   :/ (ফোন দেওয়া শুরু করলাম ) কিন্তু কিছুতেই ইঞ্জেক্ট হচ্ছিল না  :(  প্রতি বারই 404 Not found  :( কিন্তু আমি সহজে দমে যাওয়ার পাত্র না :/ আবার চেষ্টা চালিয়ে গেলাম, এভাবে গেল ১০ দিন। ওই দিকে চলল সরাসরি সার্ভারে ঢোকার চেস্টা :/ ডর্ক দিয়ে সরাসরি ঢোকার চেষ্টা :/ (তার ইউনির সামনে দাঁড়িয়ে থাকা, পেছন পেছন যাওয়া ) কিন্তু একি সার্ভারের এক্সেস নিতে চাইলাম আমি :O ?  :( এত কঠিন সিকিউরিটি দেওয়া  :'( তার পর ও দমলাম না , এর শেষ আমাকে দেখতেই হবে >_<

একদিন হঠাৎ কাজে সাফল্য আসল :D ইঞ্জেক্ট হয়ে গেল। এবার শুরু হলো ডাটা বেইজ নিয়ে গবেষনা :P  আফটার অল ছেলে মানুষ তো, সন্দেহ তো থাকেই তাই তার সার্ভারে অন্য কারো শেল আছে কিনা (অন্য কারো সাথে সম্পর্ক) তা স্ক্যানার দিয়ে সার্চ করা শুরু করলাম :D  আমাকে আশ্চার্য করে দিল, কোন শেল খুজে পেলাম না :D মনে মনে খুশি হলাম :D  এইবার শুরু করলাম এক্সপ্লইডিং+ এসকিউএল ইঞ্জেক্ট করাতে , আগের কাজের সুত্র ধরে কাজ এগুতে লাগল :D (ফোনে কথা শুরু হলো)  কিন্তু এডমিন টেবিল হাইড করা  :( (বন্ধুত্ব করতে রাজী, প্রেম করতে রাজি না  :(  ) এবার শুরু হলো অন্য ট্রিক্স দিয়ে হ্যাকের চেস্টা :/  । পেয়ে গেলাম নতুন ট্রিক্স :D তাকে ফোনে পাঠালাম ট্রুজান হর্স আর সে সে টোপ টা গিলল :D (গান শুনালাম আর পটে গেল ;) :v ) এর পর সার্ভারটাকে আরো কাছ থেকে দেখার সুযোগ পেয়ে গেলাম :D (দেখা করলাম) ব্যাস, বাইপাস করে ফেল্লাম আগের অনেক কিছু :D । বাসায় এসে পেয়ে গেলাম কাঙ্খিত সেই এডমিন প্যানেলের আইডি পাস  B| । এবার শেল ঢুকানোর পালা ;)

শেল ঢুকালাম :D কিন্তু পড়লাম আরেক মসিবতে :( এক্সেস পারমিশন নাই  :(  কি আর করা আবারো চেষ্টা চলল বাই পাসের।না বেশী কস্ট হয়নি :D অবশেষে পেয়ে গেলাম সেই পার্মিশন ;) হার্ট হ্যাক করে দিলাম নিমেষেই ;)  হার্টের ইনডেক্সে আমার ডিফেস পেজ ঝুলিয়ে দিলাম যাতে কেউ আবার সেই সার্ভারের এক্সেস নিতে চেষ্টা না করে :P  । সাথে জোন-এইচ এ মিরর ও করা হয়ে গেছে ;)  (বিয়ে রেজিস্ট্রি  ;) )

সর্বশেষ জানামতে সার্ভারের পুর্ন দখল হ্যাকারের হাতেই  আছে :P (বিয়ে করে সুখে শান্তিতে দিন কাটাচ্ছে ) কেউ ভুলেও ওই সার্ভারের দিকে নজর দিয়েন না ;) সব অপশন বন্ধ করে রাখছি  ;)  :D  8-)  :p   :v

[ব্রিঃদ্র- ইহা আমার রচিত একটি গাঁজাখুরি  কাল্পনিক ঘটনা    :3 , বাস্তবের সাথে ইহার কোন মিল নাই]

Saturday, September 20, 2014

বাংলাদেশ ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকার্সের অফিশিয়াল মেম্বারস লিস্ট



 


আমরা বেশ কিছু দিন ধরে লক্ষ করছি বাংলাদেশ ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকার্সের নাম দিয়ে অনেকেই অনেক রকম প্রতারণা করে যাচ্ছেন। এমনকি ব্যাক্তিগত ধান্দার পথ খুলে বসেছেন কেউ কেউ। যাদের কেউ ব্ল্যাক হ্যাটের অফিশিয়াল মেম্বার না। অনেকেই এই নিয়ে নানা রকম বিভ্রান্তিতে আছেন। তাই আমরা আমাদের সকল মেম্বারদের নাম এবং ফেসবুক আইডি আপনাদের সাথে শেয়ার করলাম যাতে ভবিষ্যতে আপনারা কেউ কোন প্রতারক দ্বারা প্রতারিত না হোন।

মনে রাখবেন বিডি ব্ল্যাক হ্যাটের জম্মই হয়েছিল দেশের স্বার্থে । সুতরাং আমরা কখনই ব্যাক্তিগত লাভের আশায় কাজ করি না। কোন ধরনের লেনদেনের সাথে আমরা জড়িত নই। বরং নিজের পকেটের টাকা খরচ করে তা জনগণের জন্য উম্মুক্ত করে দিই ( যেমন ম্যাগাজিন, প্রোগ্রামিং ক্যাম্প)। যখন দেখবেন কোন ধরনের লেনদের সাথে মানুষ বিডি ব্ল্যাক হ্যাটকে জড়াচ্ছে তাহলে চোখ বন্ধ করে ধরে নিবেন তারা প্রতারক । তাছাড়া আমাদের অফিশিয়াল মেম্বারদের নাম আর আইডি তো শেয়ার করা হচ্ছে প্রতারণা থেকে মুক্ত থাকার জন্য।  আমরা ব্ল্যাক হ্যাট হলেও বাংলাদেশের জন্য আমরা হোয়াইট হ্যাট ।

আমাদের অফিশিয়াল মেম্বারদের লিস্ট দেখুন এই খানে :)

Saturday, September 13, 2014

বদলে যাব!






প্রতিদিনই ভাবি, নিজেকে নিয়ে ভাবব, নিজের জন্য একটু সময় বের করব, সার্থপর হব! খোলস থেকে বের হয়ে আসব, তারপর কংকালটা নিয়েই ঘুরে বেড়াব! আঘোছালো ব্যাচেলর লাইফ, শৃঙ্খলাহীন ছুটে চলা, খেতে পর্যন্ত ভুলে যাওয়া!!! সময় চলে যায় কিন্তু সেই সময়টা আর জীবনে আসে না

কতবার ভেবেছি, সার্থপর হবো, ভীষন সার্থপর! মানুষের মুখের উপর কথা বলে দেব, প্রয়োজনে খারাপ বিহেভ করব! কারো কথা রাখতে না পারলে বা সমস্যা থাকলে তা সরাসরি বলে দেব, সে কি ভাববে, চেষ্টা করব, এসব ভাবব না! ঠিক যেমন অনেক সময় এধরনের জিনিষ গুলো ফেস করি তখন মনে হয়, তারাই ঠিক! আমিই বেঠিক, বেমানান! বড্ড সেকেলে! অয়েল মালিশ, চাপা বাজি, চাপায় যার জোর যত বেশী সে তত সম্মানীত, মানুষের কাছে কদরটা অনেক বেশী! .......!!! যে যত ভাল অভিনেতা সমাজের চোখে, মানুষের চোখে সে সম্মানের পাত্র! শক্তের ভক্ত ... নরমের যম ব্যাপারটা এরকম। দুনিয়ায় নরমভাবে চললে, সৎ ভাবে চলতে চাইলে কেউ চলতে দেবে না! টিটকারী করবে, সুযোগ খুঁজবে! কিন্তু বিপদে কেউ এগিয়ে আসবে না!... চাকরী ক্ষেত্রেও দেখেছি চোখ বুঝে মানুষ কিভাবে উপড়ের শত অন্যায় মেনে নিয়ে চলে! নিয়তি সবাই যেন মেনেই চলে! শত অন্যায়েও মানুষের ঘুমন্ত বিবেক জাগ্রত হয়না! বরং সে চালিত হয় তার গা বাচানো অনুভুতি নিয়ে! কিন্তু প্রতিবাদ করতে গিয়ে উল্টো নিজেই গর্তে পড়ি! তাই এসব আমাকে দিয়ে হয়নি! হবে কিনা জানিনা!... না!!! চাপাবাজ আর ইয়েস স্যার, জি স্যার বোধ হয় আমার দ্বারা হবে না আর নিজের খোলশ ছেড়ে বের ও হতে পারব না শুধুই মানুষের ঠোট কাটা কথা শুনে কষ্টই পেয়ে যাব!!! বদলাতে চাই... চাপাবাজ হতে চাই... ভাল অভিনেতা হতে চাই (সিনেমায় না বাস্তব জীবনে ) ... দেখা যাক চেষ্টা করে

#দিন শেষে মনে হয় এক ব্যর্থ সৈনিক আমার ভিতর অন্য এক আমি! খোলস ছেড়ে বের হতে উদগ্রীব!!!

Sunday, August 17, 2014

জীবনের মানে







জীবনের মানে খুজে পায়নি এতগুলো বছরে! কখনো মনে হয়েছে চরম কস্ট পাওয়াটাই জীবন। কখনো মনে হয়েছে বিষণ্ণতাই জীবন। বা ছোট খাটো সুখ গুলো! বিচিত্র জীবনের কোন অংশকে আলাদা করতে পারিনা! নিত্য নতুন অভিজ্ঞতা আর নতুন কিছু জেনেই চলেছি, শিখেই চলেছি! জানিনা এর শেষ কোথায়! তবুও যেন কিছুই শেখা হয়নি!ঙ্কিছুই জানা হয়নি! এখনো ছোটই হয়ে রইলাম নিজের আচরণে, হয়ত বাস্তবতার নিরিখে সপে দিতে পারিনি নিজেকে! মানানসই করে নিতে পারিনি এই সমাজে ! কারন ভাল অভিনয় না জানলে নিজেকে মানানসই করা এত সহজ না!

এক সময়ের দুরন্ত দিনগুলোতে যখন মেতে থাকতাম, যখন সবার আদরের ধন ছিলাম তখনো মনে হতো হয়ত এটায় জীবন। জীবনের পালা বদলে যখন বড্ড খারাপ সময় আসল তখন সবাই দুরে সরে গিয়েছিল! জীবনের বাজে দিন গুলোতে সুযোগের সৎব্যাবহার করে অনেকেই সুযোগ নিয়েছে!  নিশ্চুপ ছিলাম সেদিন! কারন পায়ের নীচে মাটি ছিল না! এক সময়ের সুখের পাখির অভাব ছিল না জীবনে! কিন্তু খারাপ দিনে তাদের আসল চেহারা দেখে আঁতকে উঠি! তখনো বুঝতে পারিনি এটাই হয়ত বাস্তবতা! মেনে নিতে পারতাম না! তীব্র জেদ পেয়ে বসে! সুবিধাবাদীদের বন্ধু বলে স্বীকৃতি দিতে অপারগ আমি! তাই সেদিন সব বন্ধুদের সঙ্গ ছাড়ি! খুব একা হয়ে পড়ি! নিজের হার না মানা জেদ কে কারো কাছে চরম বেয়াদপি মনে হতো! তাদের ও সঙ্গ ছেড়েছি! সবাই চলে যায়, শুধু একটি মানুষ আঁকড়ে ধরে! সে আমার মা! আমার প্রতিটি নাড়ী স্পন্দন বুঝেন! তার পরেও  দিন শেষে বড্ড একা আমি ...  সে এক অসহ্য যন্ত্রনা!   তখনো মনে হতো হয়ত এটায় জীবন। একা একা হতাশার আড়ালে লুকিয়ে কাঁদাকেই জীবনের নিয়তি মেনে নিয়েছিলাম! শেষ করে দিতে চেয়েছিলাম নিজেকে! পালাতে চেয়েছিলাম জগৎ ছেড়ে! কিন্তু একটি মানুষের কাছে বাধা পড়ি বার বার! তাই জীবনের মানেটা আবার অন্য রকম সমীকরনে তালগোল পাকিয়ে ফেলি। যত বারেই নিজেকে কুইট করার চিন্তা এসেছে ততোবার ভেবেছি...  হেরে যাওয়াটা কারো কৃতিত্ব হতে পারে না! বরং মোকাবেলা করে জিতাটায় কৃতিত্ব! হাল  ধরা শিখে গেলাম! হারার আগ মুর্হত পর্যন্ত না হারা! জীবনের মানে খুজে পায়নি তখনো!


সেই একাকী মুহুর্তে প্রতাবর্তন করি সাইবার স্পেসে! এক সময়ের সকল দুরন্তপনা বন্ধ করে একাকী ঘরে কম্পিউটার নিয়ে বসে থাকা! আর ভীন দেশী হ্যাকারের আক্রমণের পালটা জবাব দিতে সারা রাত জেগে সাইট ডিফেস দিয়ে বুনো আনন্দ পাওয়া! সারা দিন ফেসবুক! গুগল+ ইউটিউব + চ্যাট!!!!  এই সম্বল বেছে নিলাম জীবনে! জীবনের বড্ড খারাপ সময়ে পাশে পেয়েছিলাম অনেক অনেক ভার্চুয়াল বন্ধুদের! যাদের সত্যিকার বন্ধুদের তুলনায় অনেক ভাল মনে হয়েছিল! অন্তত এখনো তাই মনে হয়। পেয়েছি অনেক বড় ভাই, ছোট ভাই, বোন,... সব! খারাপ অভিজ্ঞতা যে হয়নি তাও না! অনেককেই অন্ধের মত বিশ্বাস করতাম, তারা বিশ্বাস ভঙ্গ করেছে! অনেক কেই শ্রদ্ধা করতাম, তারা তাদের জায়গাটা ধরে রাখতে পারেনি! তার পরেও এই জগতে খারাবের তুলনায় ভাল জিনিষের প্রাপ্তিটায় অনেক বেশি!  অনেক গুলো পছন্দের বড় ভাই, ছোট ভাই, আপু পেয়েছি!

সময় আবারো পাল্টে গেল! আস্তে আস্তে আবারো ব্যস্ত হয়ে পড়ি! পড়াশোনার পাঠ আরো কিছু বাকী! কিন্তু ব্যস্ততা আর কমে না! আশ্চার্যের বিষয় সুখের পাখি গুলো আবারো ফিরে আসছে! যারা একদিন দুঃসময়ে ছেড়ে গিয়েছিল! তাদের নিয়মিত ফোন, কেয়ার টেকিং... ব্লা... ব্লা...ব্লা... আমি হাসি! এটাই কি তবে জীবনে মানে? এখন তাদের তুলনায় অনেক এগিয়ে গেছি! তাই গুরুত্ব বেড়েছে বৈকি! এখন সেই অহংকারী মেয়েটিও ফোন দিয়ে এটা ওটা জিজ্ঞেস করে! এলাকার আন্টী ও ফোন দেয় মাঝে মধ্যে! হুম বড় ভাইরা যারা খুব বেশি জ্ঞান দিত তারা বলে এখন বুঝতে শিখেছি অনেক কিছু! হাহাহাহা... এটাই কি বাস্তবতা? হয়ত! জীবন থেকে ২টি বছর কেড়ে নিয়েছিলে সবাই মিলে! আর এখন...    এখনো আশায় আছি ভাল জবাবের! সাফল্যই হবে সব চেয়ে বড় জবাব! সেটার প্রত্যাশায় আছি!  :)  তবে এখনো জীবনের মানে খুজে পায়নি! খুজে চলেছি নিরন্তর! জানি না কোনদিন পাব কিনা!   সবার জীবনের গল্প থাকে! একেক জনের একেক রকম! তবে জীবনের মানে খুঁজে পেয়েছেন কি কেউ কখনো???  বলতে পারেন...

<===== উপলদ্ধি====>

Only Once In a Life Time
Can We Take It?
We've been beaten before
We've lost Our Ways before
In the Darkest moments
Our Doubts May Grow
But In the face of Disaster
Our Characters must show
So.... Ask You
For Just One Thing

NEVER
STOP
BELIEVING YOURSELF

Sunday, March 23, 2014

সিস্টেম ক্রাশ



সিম্পটেনিয়ার প্রধান শহর এড়িয়া-৯৩ কে ঘিরে ফেলা হয়েছে নিরাপত্তার চাদরে চারিদিকে তুমুল সতর্কতা! পুরো শহরে নিয়োগ করা হয়েছে রোবট যোদ্ধা অপারেশন আর্থ- হল রুমে জড় হল সবাই, রুমে পিন-পতন নিরবতা!  সব রোবট  সতর্ক! সবার বুকে লাল বাতির এলার্ট এলার্ম বাজছে! হেড অফ ডিফেন্স মেকানিজম রিসার্চ ডিপার্টমেন্টের রিপোর্টের প্রতিক্রিয়ায় পুরো শহর থমথমে! যে রিপোর্টে বলা হয়েছে, খুব শীঘ্রই  সি¤পটেনিয়া গ্রহে হামলা করতে আসছে পৃথিবীর মানুষ!!!!  এইবার নিরবতা  ভেঙ্গে  সিম্পটেনিয়া গ্রহের প্রধান রোবট এলেক্স  চেঁচিয়ে উঠল উত্তেজিত  স্বরে!

না! আমাদের এত দিনের এক্সপেরিমেন্ট এভাবে ব্যর্থ হতে পারে না! তোমরা করটা কি??? এলেক্সের এর  মুখ লাল হয়ে উঠল! বাকি রোবট মাথা নিচু করে আছে!

কিন্তু আমাদের চেয়ে মানুষের টেকনোলজী ছিল অনেক উচু মানের! তাদের কৌশলও ছিল অসাধারণ! বলল সামনের সারির একজন রোবট! – তাহলে তোমাদের রাখা হয়েছে কেন? উত্তেজিত স্বরে বলল এলেক্স!  

 -  পৃথিবী আমরা ধংস্ব করে দিয়েছিলাম! মানুষকে আমরা আমাদের গবেষনার জন্য বন্দিকরেছিলাম! তাদের মাথার ব্রেন নিয়ে আমরা পরীক্ষা করে যাচ্ছিলাম! কিন্তু একি শুনছি!!!! এলেক্সের কপালে একটু একটু ঘামতে লাগল, তার কপালে সেট করা ডিটেক্টর রেড লাইট জ্বলছে!  মাথায় রাজ্যের টেনশন আর উত্তেজনা!  প্রচণ্ড রেগে আছেন এলেক্স!



মধ্য সারির একজন গ্রিন রোবট  থট এগিয়ে আসল! থট  ষষ্ট  প্রজন্মের  অটো মেমোরাইজড রোবট!
স্যার !
রোবট থটের কথায় সম্ভিত ফিরে পেলেন  এলেক্স
- স্যার  একটা দুঃসংবাদ আছে !ভার মুখ করে বলল রোবট টা 

আর কি দুঃসংবাদ হতে পারে তাঁর জন্য !
চিন্তা করলেন এলেক্স  তাদের সব গবেষণায় যে  ব্যর্থ পৃথিবীর সব মানুষকে বন্দি করা হয়েছিল! তাদের ব্রেন নিয়ে ল্যাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালিয়ে তৈরি করা হয়েছে মানবিক গুন-¤পন্ন রোবট পৃথিবী ছিল তাদের নিয়ন্ত্রিত একটি কারখানা! যে খানে কোন মানুষের অস্তিত্ব আশা করা যায় না! পৃথিবীর সব প্রযুক্তি ছিল তাদের হাতের মুঠোয়! কিন্তু!!! আজ কি হচ্ছে এসব?

স্যার আপনি কি চিন্তিত? বলল রোবটটি
-  না, বলো, কি জানি বলছিলে?
-   স্যার একটা দুঃসংবাদ আছে! কথার পুনরাবৃত্তি করলেন রোবট থট!

হাত দিয়ে ইশারা করলেন এলেক্স! অনুমতি পেয়ে বলা শুরু করল থট!

- স্যার! কিছুক্ষন আগে আমাদের সাথে পৃথিবীর যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে! খুব সম্ভবত পৃথিবীতে আমাদের কন্ট্রোল ইউনিট কোন ঝামেলা হয়েছে! রাডার এও কিছু ধরতে পারা যাচ্ছে না! স্যাটেলাইটে কিছু দেখা যাচ্ছে না! এরর দেখতে পাচ্ছি! আমাদের মহাকাশ যান গুলোও এখন নিয়ন্ত্রনের বাইরে! পৃথিবীতে আমাদের ল্যাব এসিস্ট্যান্ট রোবট সি¤িপ এর সাথেও কোন রকম যোগাযোগ করতে পারছি না! আমাদের গবেষণাগার এর সব তথ্যও নষ্ট হয়ে গেছে!!! সিস্টেম ক্রাশ হয়েছে!   থামল রোবটটি

-  আমি দুঃখিত অনেক গুলো দুঃসংবাদ আমাকে এক সাথে দিতে হল!

এলেক্সের চোখে মুখে হতাশা! তার চোখের লাল লাইট জ্বলে উঠল! বুঝাই যাচ্ছে এলেক্স খুব রাগান্বিত এবং চিন্তিত!

এবার চারি দিকে ম্রিদু গুঞ্জন! কিভাবে সম্ভব? অসম্ভব! চলল ফিসফাস! 

অসম্ভব! অসম্ভব!  অসম্ভব!

এবার চেঁচিয়ে উঠল সি¤পটেনিয়া গ্রহের ল্যাব কন্ট্রোলার রোবট মিকি-মাইস!  - টা কিভাবে সম্ভব হল? পৃথিবীতে প্রাণের অস্তিত্ব ছিল না! যারা জীবিত, তারা বন্দী এবং আমরা তাদের ব্রেন  নিয়ে গবেষনা চালিয়ে যাচ্ছি! তাহলে কোন রকম পুর্বাভাস ছাড়াই মানুষ কিভাবে জম্ম নিল? কিভাবে তারা সংঘঠিত হল? কিভাবে তারা আমাদের চোখের আড়ালে আমাদের প্রযুক্তির চাইতেও বেশী কিছু অর্জন করল?

আজ পৃথিবী সহ আরও ১০-১২ টি গ্রহ আমাদের  করুণায় চলে!!! আমরাই ছিলাম প্রযুক্তিতে সেরা! যে কারনে ৪০২৯ সালে আমরা পৃথিবীকে মাত্র ঘণ্টায় দখল করেছিলাম! 


-  কিন্তু মানুষের  জম্মের বিষয়টি আমাদের হাতে ছিল না!  বলে উঠল দ্বিতীয় সারির একটি রোবট পল!
তার গায়ে মরিচা পড়া! তার গায়ে ইলেকট্রনিক চিপ গুলোও বের হয়ে আসছে!  অনেক আগের রোবট! একেবারে প্রথম প্রজম্মের! অনেকটায় অবহেলিত রোবটটি! কিন্তু বুদ্ধিজীবী রোবট  হিসাবে তার সুনাম আছে! পল আবার বলা শুরু করল


 - আমরা মানুষের জীবন কে নিয়ন্ত্রন করে পারিনা! কারন আমরা কাউকে জীবন দিতে পারিনা! এবং তা রোধ করতে পারি না! মানুষের বুদ্ধিমত্তাকে কোন প্রযুক্তির সাথে তুলনা করা যাবে না! তাদের ব্রেইনের সেল গুলোর রহস্য আমরা এখনও বের করতে পারিনি! আর মানুষের জীবনের পরিধি ছোট, তাই তাদের এত সময় নেই! আমরা একটি এক্সপেরিমেন্ট করতে বছরের পর বছর পার করি, কারন
আমাদের জীবনের কোন সীমা নেই! সময়ের অভাব নেই! কিন্তু মানুষের তা আছে, তাই তারা তাদের সমস্যা খুব দ্রুত সারিয়ে উঠতে মরিয়া হয়ে উঠে! আর আমরা তা করি অনেক দেরিতে এইজন্য মানুষের  কর্ম ক্ষমতাও একটু বেশি, আমি বলতে চাইছি তাদের চিন্তা শক্তি আসলেই অনেক বেশি

এলেক্স উত্তেজিত স্বরে বলে উঠল! ঠিক আছে বুঝলাম তাদের ব্রেইন এর পরীক্ষায় এখনো আমরা এখনো সফল হইনি! কিন্তু তারা আমাদের চেয়েও প্রযুক্তিতে এগিয়ে গেল কিভাবে? কিভাবেই বা আমাদের চোখ ফাঁকি দিয়ে তারা আজ আমাদের প্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে উঠার সাহস পেল???
 হাউ?????  হাউ?????  হাউ?????  টেবিল চাপরে চিৎকার করছে এলেক্স!!!  প্রচণ্ড ক্ষিপ্ত!!!

- কারন তারা সংগঠিত  হয়েছিল আমাদের আড়ালে! বলল সামনের সারির মেয়েলী প্রোগ্রামার রোবট মেরি!
-       কিভাবে?
-   তারা আমাদের আড়ালেই সব করছে! কারন তারা আমাদের সমগ্র সিস্টেম হ্যাক করেছিল !!!!  যা এতদিন আমরা কেউ বুঝতে পারিনি!

-   তাহলে এতদিন আমাদের  লাইভ ভিডিও কন্ট্রলারে যা দেখেছি? ওই গুলো      কি মিথ্যা??? রাগে গিজ গিজ করছে এলেক্স!!!

-  জি স্যার, ঠিকই ধরেছেন! আমরা এতদিন যা  দেখে আসছিলাম তা আসলে একটি ফাঁদ! মানুষ তাদের জন্য রোবট বানিয়েছে! ঠিক আমাদের ল্যাব রোবট সি¤িপ এর মতই! সব কিছু হবহু কপি করা  হয়েছে! যার কারনে এতদিন বুঝা যায়নি! আমরা আসলে একটা  র্ট্যাপের শিকার!!!

-  তার মানে? কি বলতে চাও তুমি???
-  স্যার, তার মানে হল আমরা এতদিন যা কন্ট্রোল করতাম! যা দেখতাম সবই আসলে ফেইক! মানুষরা আসলে এতদিন আমাদের নিয়ে খেলা করছে! তারা আমাদের সিস্টেম হ্যাক করে আমাদের বোকা বানিয়েছে! আর তারা প্রতিনিয়ত আমাদের কেই কন্ট্রোল করে যাচ্ছে! তারাই নিয়ন্ত্রন করছে আমাদের প্রোগ্রাম!

এলেক্স বসে পড়ল!





তার মানে, আমরা মানুষদের নিয়ে এক্সপেরিমেন্ট করিনি! তাহলে কি এত দিন আমরাই মানুষের এক্সপেরিমেন্টের অংশ ছিলাম????? আমাদের কে বানাল তাহলে?   তাহলে আমরা কি মানুষের হাতে বানানো একটি যন্ত্র মাত্র? এই বার নিষিদ্ধ প্রশ্নটি করে বসল একটি রোবট!
- ঠিক তাই জবাব দিল মেরি!
এলেক্স কে এখন আর ভয় পাচ্ছে না কেউ! কারণ সবার জানা হয়ে গেছে তাদের পরিণতি ¤পর্কে! 
হঠাৎ বাইরে চিৎকার চেঁচামেচি শুনা গেল! সাইরেন শোনা যাচ্ছে! সবাই চিৎকার করছে!  তার মানে মানুষের মহাকাশ যান ইতিমধ্যে ঢুকে পড়েছে সি¤পটেনিয়া গ্রহে!!!  এলেক্স নির্বিকার হয়ে বসে আছে!
হয়ত একটু পরই এলেক্স শেষ হয়ে যাবে! সিম্পটেনিয়া হবে দ্বিতীয় পৃথিবী! এখানের সব রোবট হবে মানুষের দাস!!!  আসলে যতই প্রযুক্তির  উন্নতি হোক না কেন, মানুষের মস্তিকের এই সীমাহীন ক্ষমতা সবার অগোচরই থেকে গেছে! হয়ত এই রহস্য সয়ং বিধাতা ছাড়া আর কেউ আবিষ্কার করতেপারবেনা! তাই মানুষ তার এই ক্ষমতা দিয়ে ধংসস্তুপ থেকে আবার উঠে দাঁড়ায় আবার যুদ্ধ
করে! মানুষের এই ব্রেনের কাছেই আজ হেরে গেল এতদিনের পরাক্রমশালী  রোবট সাম্রায্য! এরিয়া-৯৩ এর অপারেশন আর্থ  হল  ভবনের ছাঁদে ভীষণ শব্দে কেঁপে উঠল!!! মানুষের মহাকাশ
যান থেকে ফায়ারিং ততক্ষণে শুরু হয়ে গেছে!!! .........................